Looking For Anything Specific?

Responsive Advertisement

হেট স্টোরি 10

 

                                                                হেট স্টোরি ১০

                                                       







 গ্রামের নাম কামার পাড়া । গ্রামটির অপরুপ সৌন্দর্য্য যে কাউকে পাগল করার মতো । সৌন্দর্য্যরে মধ্যে সবচাইতে বেশি যে বিষয়টা মন কাড়ে তা হচ্ছে এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদী । নয়ন এই গ্রামের ছেলে । মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নিলেও সে দেখতে ছিল খুবেই স্মার্ট । আমরা একি ক্লাসে পড়ি কিন্তু আমাদের বিদ্যালয় ছিল আলাদা আলাদা । স্কুল শেষে আমরা যখন মাঠে খেলতে যেতাম, তখন সারাদিনের ঘটে যাওয়া গল্পগুলো শেয়ার করতাম । আগেই একটা কথা জানিয়ে রাখি , আমি যে গল্পটা আপনাদের মনোরঞ্জনের জন্য লেখতেছি সেটা ছিল আমরা যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি এবং আমি গল্পটার শেষে কিছু কথা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো ।

 

তো নয়ন যে স্কুলে পড়তো সেই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীতে পড়তো নিশি নামের একটা মেয়ে । ওহ আগে এই নিশির পরিচয়টা দিয়ে নেই । তিস্তার পাড়েই বাড়ি।মধ্যবিত্ত পরিবারের দেখতে শ্যামলা আর খুব আবেগপ্রবন ছিল নিশি  দেখতে শ্যামলা হলেও নিশি ছিল লাবন্যময়ী আর মায়াবী।  অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ওরা ওই বয়সে একে অপরের প্রেমে পড়ে যায় । এবং নিশি নয়নের যে কোনো প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেত।  আমি ব্যক্তিগত দিক থেকে এটাকে প্রেম বলতে পারছি না । কারন ঐ বয়সটা প্রেমের জন্য উপযুক্ত নয়। আসলে এরকম করে ভাববার বয়স সেটা ছিল না ওদের । নিশি স্কুল শেষে যে পথ  দিয়ে প্রাইভেট পড়তে যায় নয়ন সে পথে দাড়িয়ে থাকে নিশিকে একটা নজর দেখার জন্য । তার পর প্রাইভেট শেষে যখন সন্ধ্যা হতে চলে তখন নয়ন তাকে নদির পাড়ে পাড়ে ওর সঙ্গে হাটতে হাটতে বাসায় দিয়ে আসে। এইভাবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। নিশির জীবনে প্রথম মেলামেশা হলেও , নয়নের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে । নিশির শারীরিক চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে । সপ্তাহে তিন চারদিন করে তারা গোপনে সহবাস করে।

আপনি হয়তো ভাবছেন এটা কী করে সম্ভব ? হ্যা , এটা সম্ভব হয়েছিল । লিমন নামের এক বন্ধু ছিল । সে ওর বাসায় একাই থাকে । নয়ন ওর বাসায় জানায় সে লিমনের বাড়িতে থাকবে। আর নয়নের পরিবারও জানে যে লিমন তো ওর বন্ধু হয় ,তাই ব্যাপারটা অতোটাও গুরুত্ব সহকারে দেখতো না । এভাবে সে সপ্তাহে তিন চারদিন করে লিমনের বাসায় থাকতো । আর এই থাকার নাম করে সে গভীর রাতে ঐ মেয়ের বাসায় গিয়ে রাত কাটাতো । আজব বিষয় হচ্ছে , নিশি যে রুমে থাকতো সে রুমে তার বোন জুইও থাকতো । পাশে আর একটা শোয়ার ঘর আছে সেখানে নিশির বাবা মা থাকতো ।

নয়ন রাত ১২ টায় গিয়ে নিশির ঘরের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকতো । নিশি আগে থেকে দরজা খোলা রাখতো কারন ওরা  আগেই আলোচনা করে সব পরিকল্পনা করে রাখতো । আবার ভোর সাড়ে চারটায় বের হয়ে আসতো যাতে কেউ নয়নকে দেখতে না পারে।  জুই আর নিশি দুজনেই সমবয়সী । নয়ন দ্জুনের সাথেই সহবাস করেছিল ।আর এর কারনটা আপনারা হয়তো বুঝে গেছেন ।আপনি যার সাথে শারিরিক মেলামেশা করছেন তার পাশেই যদি সমবয়সী কেউ থাকে তাহলে সেও নিজেকে সামলাতে পারবে না । নিশি, জুই ও নয়নের মধ্যে তাই ঘটেছিল । আমার কাছে এটা শারীরিক চাহিদা ছাড়া কিছু না এবং সবথেকে ঘৃনিত একটা ঘটনা। যাতে পেটে বাচ্চা না আসে তার জন্য ওদের দুই বোনকেই নয়ন ওষুধ কিনে দিত ।

অতিরিক্ত সহবাসের কারনে মেয়েটার গর্ভে অনাকাঙ্খিতভাবে বাচ্চা আসে । ওষুধ খাইয়ে সেই বাচ্চাটাকেও তারা নষ্ট করে ফেলে।

মেয়েটা নয়নকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করতো আর খুব ভালোবাসতো । কিন্তু নয়ন শুধু মাত্র শারীরিক তৃপ্তির জন্য এসব করতো ।

এভাবে একটা বছর কেটে গেল।

ও হ্যা একদিনের কথা বলতে ভুলে গেছি । 

ফিরোজ ছিল নয়নের ঘনিষ্ঠ বন্ধু । তো যখন নয়ন ও নিশি প্রথম মেলামেশা করতো তখনকার কথা বলছি। নয়ন ও নিশি আগে থেকে কথা হয়েছে আজ তারা সহবাস করবে । নিশি প্রাইভেট শেষে বাড়ির দিকে যাচ্ছিল নয়ন সেই সময় তার বন্ধু ফিরোজকে নিয়ে নিশির দেখা করে। এখানে একটা কথা মনে রাখবেন নয়ন তার বন্ধু ফিরোজকে সাথে নিয়েছিল তার কারন হচ্ছে নয়ন ও নিশি ভুট্টা ক্ষেতে সহবাস করবে আর ফিরোজ পাহারা দিবে। কিন্তু সেদিন যা ঘটেছিল সেটার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না । ঠিক যেমনটা ঘটেছিল জুই, নিশি ও নয়নের মধ্যে । এখানে ঠিক সেরকমভাবে ফিরোজ চান্স নেয়। মেয়েটা নিরুপায় হয়ে সব সহ্য করে যায়।

আমি ব্যক্তিগত দিক থেকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাকে যৌক্তিক মনে করছি কারন নিশি ও নয়ন জুইয়ের সাথে যা করেছে , ওদের সাথেও ঠিক এমনটাই ঘটেছে ।

 

এইদিনের এই ঘটনাটা সারাজিবনের জন্য একটা দাগ বসিয়ে দিয়েছে নিশির মনে।

তারপর এভাবেই বেশ কিছুদিন কেটে যায় ।



এরপর নয়ন মেট্রিক পরক্ষিার জন্য প্রস্তুতি নিতে চলে যায় লালমনরিহাট , সেখানে একটি মেসে সে তিন মাস থাকার একটা পরকিল্পনা করে । কারন তিন মাস পর তার পরক্ষিা নিশির মনে অনকে কষ্ট সে অনেক কান্নাকাটি করে কারন এখন আর সে নয়নকে কাছে পায় না ।ওদিকে যেদিন নয়ন মেসে উঠবে সেই মেসের পাশে এক বাসার জানালার ফাক দয়িে একটি সুন্দরী ময়েরে চোখে পড়ে যায় নয়নের চোখ । 



এ যেন এক নতুন জায়গায় নতুন পাওয়া ।শারিরীক ক্ষিদার তাড়নায় নয়ন ঐ বাসার মেয়েটির প্রেমে পড়ে যায় । আর ভুলে যায় নিশির কথা ।  ওহ, এখানে বলে রাখি এতোক্ষন ধরে যে সুন্দরী  মায়াবী মেয়েটির কথা বলছলিাম তার নাম ইমু । সে সপ্তম শ্রনেীর ছাত্রী । অবাক হওয়ার বিষয় এই যে নয়নরে সাথে ইমুর দেখা হওয়ার তিন দিনের  মাথায় ইমু নয়নকে রুম ডেট করার জন্য রাত ১২ টায় তার রুমে ডাকে । নয়ন পর পর দুইদিন ঐ মেয়ের রুমে যায় । এবং ঐ ময়েকেে ইচ্ছা মত ভোগ করে । তৃতীয় দিন সহবাস করার সময় নয়ন ইমুর মায়ের কাছে ধরা পড়ে যায় । জেনে অবাক হবেন  যে এখানে ইমুর মা ব্যপারটাকে মেনে নেয় এবং  নয়নকে ছেড়ে  দেয়।পরের দিন নয়ন কে ডেকে আনা হয় ইমুদের বাসায় । নয়ন আসলে তাকে নাস্তা খাইয়ে ইমুর মা নয়নকে বলে দেখো  বাবা আমারমেয়ে এখনো  অনকে ছোট , তুমি পড়ালখোশেষ  করে একটা ভালাে সার্টিফিকেট নাও । চাকরি আছে আর আমার ময়েে আছে তোমার জন্য । মাঝে মাঝে এসো আমাদের বাসা ইমুকে ইমুকে দেখে যেও। 



নয়ন শুনে তো ভীষন খুশি হলো । লোকে বলে বাতাসেরও কান আছে । নয়নের  এই ব্যাপারটা নিশি জানতে  পেয়েছিল এবং খোদার কাছে সে সবসময় বলতো হে খোদা আমি শুধু নয়নকে চাই আর কান্না করতো । 

নয়ন যখন করে গ্রামের বাসা যায় তখন করে নিশির সাথে সহবাস করতো আবার যখন মেসে যেত  তখন ইমুর সাথে থাকতো । 
এভাবে সে শান্তি পতে । কিন্তু সে ভুলে গেছে নিয়তি বলতে কেউ একজন আছেন । ‍যিনি উপর থেকে সব কিছু প্রত্যক্ষ করেন । 

......পরবর্তী অংশের জন্য অপেক্ষা করুন । 




 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Post a Comment

0 Comments